কলাপাড়ার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের চরপাড়া ও ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর দুই গ্রামের মানুষের যোগাযোগ রক্ষায় সাঁকো ভেঙ্গে যাওয়ায় এলাকাবাসীর সহায়তায় দ্রুত পুন:নির্মাণের দাবি দুই গ্রামের মানুষের। দুই ইউনিয়নের দুই গ্রামের মানুষের সাথে যোগাযোগ রক্ষায় দীর্ঘ আড়াই যুগ ধরে একটি সাকো ছিল। পারাপার হতো শতশত মানুষ। ইঞ্জিন চালিত নৌকা ট্রলার ওই সাকো অতিক্রম কালে ভেঙ্গে যায় সাকোটি। দুর্ভোগে পড়ে দুই গ্রামের মানুষ।
রবিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাঁকোটি ছিল প্রায় ২০/৩০ বছর আগের, স্লুইসের পাশ দিয়ে অবস্থিত, মাস তিন আগে সাঁকোটি একটি ট্রলার এসে ভেঙ্গে দিয়েছে, ভেঙ্গে যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন জনস্বার্থে নিজের অর্থায়নে সাঁকোটি নির্মাণের চেষ্টা করছে। ক্ষতিপুরন বাবদ ৬ হাজার টাকা আদায় করেছিল এলাকাবাসী। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনে এ সাকোর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে স্কিম দেওয়া হয়েছে। এ খালে সাকোটি নির্মান জরুরী হয়ে পড়েছে।
মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের চরপাড়া স্লুইজ গেট জামে মসজিদ পেশ ইমাম শামসুল আলম বলেন, এ সাকোটি জরুরীভাবে নির্মান করা দরকার বৃহত্তর জনস্বার্থ বিবেচনায়। একই এলাকার হাজী ইউসুফ মুন্সি জানান, দুই ইউনিয়নের দুই গ্রাম রসুলপুর ও চরপাড়ার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে এ সাকোটি নির্মান হলে এলাকাবাসী উপকৃত হতো। মানুষের সাথে যোগাযোগ রক্ষার সেতুবন্ধন মজবুত হতো। এলাকাবাসী এ সাকো নির্মানে ঐক্যবদ্ধভাবে সকল ধরনের প্রচেস্টা অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রাসেল গাজী, বেল্লাল গাজী, রুহুল আমিন গাজী বলেন, এ সাঁকোটি ট্রলার ভেঙ্গে দিলে মানুষের যোগযোগ ব্যবস্থায় দুর্ভোগ তৈরী হয়েছে।
এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মেজবা উদ্দিন খান দুলাল বলেন, নিজ্বস্ব অর্থায়নে এলাকাবাসীর সহায়তায় ভেঙ্গে যাওয়া সাকোটি নির্মানের চেষ্টা চলছে। জ্বরাজীর্ন পুরানো সাকোটির লোহা লক্কর কে বা কারা রাতের আধারে চুরি করে নিয়ে যায়। কৃষক চাষী আমজনতার সুবিধার্থে এ সাকোটি নির্মান হলে জনদুর্ভোগ কমবে।