×
রবিবার ● ৩১ আগস্ট ২০২৫ ১৬ ভাদ্র ১৪৩২
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম: মৃত্যুশয্যায় বিভুরঞ্জন: খোলা চিঠির ময়নাতদন্ত বামনায় রুহিতার চর রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান জুলাই পূর্নজাগরন ২০২৫ : নৌবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা বামনায় অসহায় মানুষের মুখে হাসি বামনায় সাংবাদিকদের সাথে ইউএনওর মতবিনিময় সভা জুলাই শহিদ স্মরণে বরিশাল পিআইডি’র দোয়া মাহফিল বেতাগীতে জুলাই পুর্নজাগরণে সমাজগঠনে ৩০০ জনের শপথ পাঠ কাউখালীতে জুলাই পূর্ণ জাগরণে সমাজ গঠনে লাখো কন্ঠে শপথ গ্রহণ রাজাপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২৫ অনুষ্ঠিত জুলাই পুনর্জাগরণে সমাজ গঠনে বরগুনায় শপথ গ্রহণ নারী-শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে: জেলা প্রশাসক
Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)
কলাপাড়ায় খানকার জমি আত্মসাৎ চাচাদের বিরুদ্ধে যুবকের অভিযোগ
প্রকাশ : সোমবার, ২৩ জুন , ২০২৫, ১১:১৯:০০ পিএম
রাসেল কবির মুরাদ:
default.png

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাইজভান্ডার খানকা শরীফের নামে দানকৃত এবং পৈত্রিক সম্পত্তির অধিগ্রহণকৃত অর্থ আত্মসাৎ, পাওনা টাকা ফেরত না দিয়ে মিথ্যা মামলায় জেল খাটানো এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে সৎ চাচা ও চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মিঠু হাওলাদার (৩৫) নামের এক যুবক।
শনিবার দুপুরে কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মিঠু হাওলাদার জানান, তার বাবা জহিরুল ইসলাম নয়া হাওলাদার মাইজভান্ডার শরীফের মুরিদ ও খানকা শরীফের সভাপতি ছিলেন। তাদের ১৫ নং জে.এল বানাতীপাড়া মৌজায় ২ একরের বেশি জমি ও মাইজভান্ডার শরীফের ঘর ছিল। ২০০২ সালে তার বাবা খানকা শরীফের নামে ৯ শতাংশ জমি দান করেন।২০০৩ সালে বাবার মৃত্যুর পর তার চাচা নাসির হাওলাদার খানকা শরীফের সভাপতির দায়ত্বি নেন। পরে পায়রা বন্দর নির্মাণের জন্য ওই ঘর ও জমি অধিগ্রহণ করা হলে নাসির হাওলাদার ঘরের টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। এমনকি, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ খানকা ঘরের পরিবর্তে লালুয়া হাসনাপাড়ায় একটি 'এ টাইপ' ঘর দিলে সেটাও তিনি দখল করেন বলে অভিযোগ মিঠুর।
মিঠুর দাবি, তার দাদা ওয়াজেদ আলী হাওলাদারের প্রচুর সম্পত্তি ছিল, যা তার চাচা নাসির হাওলাদার তার ছেলে মাকসুদ, মিজান ও হালিম হাওলাদারের নামে বিএস রেকর্ড করে নিয়েছেন। শের-ই-বাংলা নৌঘাটি নির্মাণের জন্য ওই জমি অধিগ্রহণ করা হলে নাসির হাওলাদার সমস্ত ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। মিঠু অভিযোগ করেন, তাদের ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্য সম্পত্তির ভাগ চাইলে চাচা তালবাহানা শুরু করেন এবং আজও তাদের জমি বা টাকা বুঝিয়ে দেননি।
ভুক্তভোগী মিঠু হাওলাদার আরও বলেন, তার চাচাতো ভাই হালিম হাওলাদার ২০১৯ সালে জমি কেনার কথা বলে তার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা ধার নেন। টাকা ফেরত না দেওয়ায় তিনি সেনাবাহিনীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এর জেরে গত এপ্রিল মাসে চাচাতো ভাইয়েরা তাকে মিথ্যা চুরির মামলায় ফাঁসিয়ে দেন এবং তাকে ২৩ দিন জেল খাটতে হয়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর পাওনা টাকা না পেয়ে তার স্ত্রী শাহিনুর বেগম গত ২০ মে চাচাতো ভাইসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।মিঠু হাওলাদার প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, শুধুমাত্র পাওনা টাকা ফেরত চাওয়া এবং অংশীদার হিসেবে জমি বুঝে পাওয়ার জন্য তার চাচা ও চাচাতো ভাইয়েরা তার সম্মানহানি করেছেন এবং বর্তমানে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন।এ বিষয়ে নাসির উদ্দিন হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মিঠু নিজেই জমিজমা নিয়ে আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা করেছেন, যা চলমান। এছাড়া, তিনি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেও তার ছেলে ও স্বজনদের নামে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। তার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট বলেও দাবি করেন তিনি। হালিম হাওলাদারও মিঠুর সঙ্গে কোনো টাকা লেনদেনের কথা অস্বীকার করে অভিযোগগুলোকে মিথ্যা ও বানোয়াট বলে মন্তব্য করেন।

আরও খবর

Ad for sale 225 x 270 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
🔝